এলার্জি দশটি ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এলার্জি অথবা চুলকানি খুবই বড় সমস্যা না। যার কারনে আমরা এই সমস্যাটা কি সমস্যাই মনে করি কিন্তু যখন এলার্জি আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে তখন বুঝতে পারি যে এটার জ্বালা কত। এলার্জি সব ধরনের মানুষের হয়ে থাকে এটা হলে আমাদের তোকে খুব চুলকায় এবং যখন তখন যেখানে সেখানে চুলকায়। এটা কেন হয়
এলার্জি লক্ষণ কয় ধরনের হয়ে থাকে এব এলার্জির দশটি ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। আপনাদের সাথে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব আপনারা যারা এ সম্পর্কে জানতে চান তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। চলুন তাহলে যারা আমরা এলার্জি সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করি।
পোস্ট সূচীপত্র
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক আজকে এই পোস্টে আমরা আপনাদের সাথে এলার্জির দশটি ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা চেষ্টা করো জানতে হলে আপনারা আমাদের পোস্টটিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকবেন তাহলে জানতে পারবেন এ সম্পর্কে চলুন তাহলে দেরি না করে আমরা আমাদের আলোচনায় চলে যাই।
এলার্জির কারণ
এলার্জি একটি কমন সমস্যার মধ্যে পড়ে এলার্জি সকল বয়সের মানুষের হয়ে থাকে বিশেষ করে শিশুদের বেশি হয় এবং এটা বয়স বড় বাড়ার সাথে সাথে কমে যেতে পারে আবার বেশি বয়সেও হতে পারে। অনেক সময় খাবারের কারণে অথবা কারো স্পর্শের কারণে ধুলাবালি ময়লা এ সমস্ত কারণেও এলার্জি হয়ে থাকে। যেসব কারণে আমাদের ত্বকে এলার্জি হয়ে থাকে সেসব কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো।
যেমন,
বাইরের ধুলাবালি
নির্দিষ্ট কিছু খাবার দাবার
আবহাওয়ার কারণে
গৃহপালিত পোশাক পশুপাখির কারণে
ফুলের কারনে
ডিটারজেন্টের কারণে
পুকুরে বা সাপ্লাইয়ের পানিতে গোসল করলে
কোন কোন খাবারে এলার্জি হয়
যে সমস্ত খাবার খেলে এনার্জি হয় সে সমস্ত খাবার সম্পর্কে নিচে উল্লেখ করা হলো।
বেগুন
চিংড়ি মাছ
গরুর গোস্ত
ইলিশ মাছ
দুধ
মসুরের ডাল
বাদাম
এখানে কিছু খাবার সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে যেগুলোতে এলার্জি হয় তবে এখানে আরেকটা বিষয় হলো যে মানুষের এক এক ধরনের এলার্জি হয়ে থাকে। কাউকে খাবারের দ্বারা এলার্জি শরীরে হয়েছে কারো কাউকে স্পর্শ করার দ্বারা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকতে পারে। বিভিন্ন রকমের এলার্জি মানুষের শরীরে হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দুধ অথবা ডিমে এনার্জি থাকতে পারে।
এলার্জির লক্ষ্য
আসুন আমরা এই প্রশ্নের মাধ্যমে জেনে নেই এনার্জি লক্ষণসমূহ গুলো জানতে হলে আমাদের সাথে এই পোস্টটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবশ্যই থাকবেন তাহলে জানতে পারবেন এই সম্পর্কে। এলার্জির লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো।,
শরীরের চামড়ায় চুলকানি বা রেস দেখা দেয় সাথে সাথে ফটকা ফটকা বা দানা দানা হয়।
শরীরের কিছু অংশ ফুলে যাওয়া বা চাকা চাকা হয়ে যাওয়ার মত দেখা যায় বা চামড়া উঠতে থাকে।
অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন চোখ গলা কান নাক মুখ ফুলে যায়।
অনেকের আবার চোখে চুলকানি হয়, চোখ দিয়ে পানি পড়ে চোখ লাল হয়ে যায় ফুলে যায়।
অনেকের আবার শ্বাসকষ্ট হয় ব্যথা করে।
অনেকের আবার এলার্জি এর মত হয়ে থাকে যত চুলকানোর ফলে রস বের হয়।
এলার্জির দশটি ঘরোয়া চিকিৎসা
এলার্জি খুব বড় সমস্যা না তাই এনার্জি হলে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কোন কারণ নেই আপনার এলার্জি আপনি সহজে ঘরোয়া চিকিৎসা নিতে পারে । এর মধ্যে আপনি বিশেষ করে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে কিছু ভেষজ উদ্ভিদ ব্যবহার করলে বা আবহাওয়া জনিত পরিবেশ এড়িয়ে চললে আপনি এলার্জি থেকে মুক্ত থাকতে পারবে। এলার্জির দশটি ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে নিজে উল্লেখ করা হলো।
মধু
মধু এলার্জির জন্য একটি উপকারী খাবার। অ্যালার্জি হলে মধু খেলে এলার্জি কমে যায়। বিশেষ করে ফোসকা পড়া যে ধরনের এলার্জিগুলো রয়েছে এগুলো হলে মধু খেলে খুব অল্পতেই সেরে যায়।
অ্যালোভেরা
শরীরের এলার্জি ভালো করতে এলোভেরার কোন জুড়ি নেই। শরীরে বা ত্বকে এলার্জি হলে অ্যালোভেরা পাতা। যে আঠালো
অংশটা রয়েছে সেটা শরীরে লাগালে অল্প সময়ের মধ্যে এলার্জি ভালই হবে।
টক বা তেতো জাতীয় খাবার
প্রতিদিন টক বা তেতো জাতীয় খাবার খাওয়া টক বাতেতো জাতীয় খাবার মেলার্জি দূর করে যেমন করলা কামরাঙ্গা আমরা ইত্যাদি খাবার অ্যালার্জি অনেক অংশ দূর করে।
ঠান্ডায় সাবধান থাকা
ঠান্ডা এড়িয়ে চলবেনঠান্ডা এড়িয়ে চলবেন ঠান্ডার সময় মেঝেতে শুয়া বা হাটাহাটি করা ঠিক না খালি গায়ে ঘোরাঘুরি করা বাতাস লাগানো ঠিক না। এতে অ্যালার্জি বাড়ে গরমের সময়ও মেঝেতে সুয়া, ঠিক না।
পানিতে গোসল করা
যাদের অ্যালার্জি আছে তারা সাপ্লাই পানি অথবা পুকুরের পানিতে গোসল করবেন না এতে করে আপনার এলার্জি বাড়বে আর পুকুরের পানি বা সাপ্লাই পানিতে বেশি সুন্দর গোসল করলে এলার্জি হয় শরীর বেশি চুলকায় এবং ফুলে যায় দাগ হয়ে যায় এজন্য পানি এড়িয়ে চলা বেশি সময় পানিতে গোসল না করা।
হলুদ উপাদান ব্যবহার
অ্যালার্জি তে অনেক কার্যকরী এলার্জি হলে শরীরে হলুদ মাখানো কাঁচা হলুদ শরীরের জন্য অনেক উপকারী যদি আপনার অ্যালার্জি হয়ে থাকে তাহলে আপনি যদি কাঁচা হলুদ গায়ে লাগান তাহলে আপনার অ্যালার্জি ভালো হয়ে যাবে।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা
যাদের অ্যালার্জি আছে তারা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পড়বেন ধুলাবালিতে কম যাবেন এ রোগ নিয়ন্ত্রণ হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার দ্বারা।
ব্রেকিং সোডা
এলার্জি হলে আপনি চাইলে ব্রেকিং সোডা ব্যবহার করে আপনার এলার্জির স্থানে লাগিয়ে রাখলে আপনার অ্যালার্জি ভালো হয়ে যাবে এজন্য কিছু পদ্ধতি আছে যেমন পরিমাণ মতো সোডা নিবেন এবং পানি নিয়ে মিশিয়ে এলার্জি স্থানে লাগাতে হবে। তাহলে অ্যালার্জি ভালো হয়ে যাবে।
গন্ধ রূপ ব্যবহার করা
এলার্জি হলে আপনি ঘরোয়া চিকিৎসার মধ্যে আর একটা উপাদান হচ্ছে গন্ধরূপ একটি ব্যবহার করলে এলার্জির স্থানে বেটে লাগালে এলার্জি ভাল হয়ে যায়। এর সাথে সাথে আপনি নিম পাতা বেটে লাগাতে পারেন নিমপাতাতেও অনেক কার্যকর ভূমিকা পালন করে এলার্জির জন্য।
শেষ কথা
আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি এলার্জির ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। এই পোষ্টটি আপনাদের যাদের ভালো লেগেছে তারা অবশ্যই পরিচিতদের কাছে আপনার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজনের কাছে শেয়ার করবেন এবং আমাদের সাথে থাকবেন আমাদেরকে উৎসাহ করবেন যাতে আমরা প্রতিনিয়ত আপনাদের জন্য ভালো ভালো পোস্ট লিখতে পারি ধন্যবাদ। ভুল ত্রুটি হলে মাফ করবেন ।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url